নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রেস বিজ্ঞপ্তি আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর অঞ্চলে বেশ কিছুদিন থেকেই মানবতার কল্যাণে নিবেদিত অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তাওহীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে একটি উগ্রবাদী, ধর্মব্যবসায়ী, দাঙ্গাবাজ শ্রেণি। তারা সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে তাদের হাতিয়ার বানাতে সিদ্ধহস্ত। এই দেশে তারা বহুবার সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে উত্তেজিত করে তুলে হামলা চালিয়ে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করেছে। তাদের মতের সঙ্গে না মিললেই অর্থাৎ ভিন্নমতের মানুষদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তাদেরকে পৈত্রিক ভিটা থেকে উৎখাত করে দিয়েছে। ঠিক একই রকমের একটি ঘটনা তারা হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ঘটাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এই ঘটনা নির্মাণের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে তারা স্থানীয় জনগণের মধ্যে উদ্দেশ্যমূলক মিথ্যাচার বা প্রোপাগান্ডা আরম্ভ করছে, গুজব রটিয়ে বেড়াচ্ছে, মিথ্যা ও আজগুবি কথা হেযবুত তওহীদের নামে লিখে হ্যান্ডবিল প্রচার করছে, মসজিদে মাদ্রাসায় বসে এই ষড়যন্ত্রের নকশা তৈরি করছে। এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গত শুক্রবার বামন্দি থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে গাংনী বাজার মসজিদের সামনে তারা হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার মূলক বক্তব্য দিচ্ছিল। সেই উস্কানিমূলক সভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে বামুন্দী বাজারে অন্য কারো সাথে বাকবিতণ্ডা হয়েছে যার সঙ্গে হেযবুত তওহীদ মোটেও সম্পৃক্ত নয়। তবু সেটাকেই কেন্দ্র করে মিথ্যা মামলা সাজিয়ে মেহেরপুর শাখার হেযবুত তওহীদ নেতৃবৃন্দকে হয়রানি করা হচ্ছে। আমাদের পরিষ্কার বক্তব্য হচ্ছে, হেযবুত তওহীদ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করে না। বিগত ২৬ বছরে এই আন্দোলন বাংলাদেশে আইন মান্য করার অনন্য রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। তারা হেযবুত তাওহীদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে আমাদের মসজিদ ভাঙচুর করার ও সদস্যদের ওপর হামলা করার জন্য অজুহাত বা ইস্যু সন্ধান করছে। উপায়ন্তর না পেয়ে তারা এখন পানি ঘোলা করে মাছ শিকার করার পাঁয়তারা করছে, যেকোনো অসিলায় তারা চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুরে চলমান স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে দাঙ্গামুখর ও অশান্ত করার চেষ্টা করছে। যারা এই ষড়যন্ত্রের হোতা তাদেরকে এখনই নিবৃত্ত করার জন্য যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত বলে আমরা মনে করি। পাশাপাশি জনগণকে আহ্বান জানাই যেন তারা কোন প্রকার মিথ্যাচারে প্রভাবিত না হন। আমরা যা বলি না, আমরা যা করি না তেমন বহু কথা মানুষকে উত্তেজিত করে তোলার জন্য আমাদের নামে প্রচার করা হচ্ছে। আমরা এই ধরনের প্রপাগাণ্ডা, মিথ্যাচার ও গুজব রটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি ও অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিনীত শরিফুল ইসলাম সভাপতি, মেহেরপুর জেলা হেযবুত তওহীদ।