নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভা নির্বাচনে ৯ টি ওয়ার্ডেও ভোটগ্রহন শনিবার সকালে শুরু হয়। সময় গড়ানোর সাথে সাথে শুরু হয় প্রার্থীদের অভিযোগ। জোড়পূর্বক ভোট গ্রহন, কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেওয়া, ইভিম মেশিনে নৌকা ছাড়া অন্য প্রতিক দেখতে না পাওয়াসহ ভোট কারচুপির বিভিন্ন অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন ৩ মেয়র প্রার্থী। শনিবার দুপুর ২টার দিকে ৬ নং ওয়ার্ড কেন্দ্রে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র আশরাফুল ইসলাম। এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। কেন্দ্রের সামনে ব্যারিকেট দেওয়া হচ্ছে। আমার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে জোর পূর্বক বের করে দিচ্ছেন। জোর করে নৌকায় ভোট নেওয়া হচ্ছে। আমি সব কেন্দ্রে ঠিকমত যেতে পারছি না। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এমনকি ইভিমে আমার জগের প্রতিক দেখা যাচ্ছে না। পোলিং অফিসারকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। ইভিএমে যে ভোট জালিয়াতি হয় তার উজ্জল দৃষ্টান্ত গাংনী পৌরসভা নির্বাচন। এদিকে দুপুর ৩ টার দিকে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের মেয়রপ্রার্থী মোঃ আবু হুরাইরা। তিনি বলেন, ভোট দিতে গেলে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর এজেন্টরা বলছে আগে নৌকায় ভোট মারো তারপর যা খুসি তাই কর। আমি কেন্দ্রগুলো ঘুরে ৫ নং কেন্দ্রে ছাড়া প্রায় সব কেন্দ্রেই বিভিন্ন রকম অনিয়ম দেখেছি। তাই আমি ভোট বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত মেয়র প্রার্থী আসাদুজ্জামান বাবলু ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, শুক্রবার রাত পর্যন্ত প্রশাসনের তৎপরতা দেখে মনে হচ্ছিল নির্বাচন সুষ্ঠ ও সুন্দর হবে। কিন্তু তা হয়নি। বিভিন্ন অনিয়ম ও কারচুপির কারণে আমি নির্বাচন বর্জন করছি। ক্ষমতাসীন দল যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন কোন নির্বাচনই সুষ্ঠ হবেনা। গাংনী পৌরসভা নির্বাচন-২১ এর ভোটগ্রহন হয়েছে ইভিএমে। নির্বাচনে ৫ মেয়রপ্রার্থী অংশগ্রহন করেন। এদের মধ্যে ৩ জন সাংবাদিকদের ভোট বর্জনের ঘোষণা দিলেও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিতভাবে নির্বাচন বর্জনের আবেদন করেনি কেউ।