মোঃ বিপ্লব রেজা: স্বল্প পরিসরে নাগমুরি জাতের কমলা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন মেহেরপুর শহরের স্টেডিয়াম পাড়ার মফিজুর রহমানের ছেলে লিটন শেখ। শুরুটা শখের বসেই। আস্তে আস্তে এই কমলা চাষ বাণিজ্যিক রূপ নেয়। প্রথম দিকে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে কিছু ফল বাজারে বিক্রয় করতে শুরু করেন। আস্তে আস্তে গাছের সংখ্যা বাড়ান লিটন শেখ। বর্তমানে ৫০ শতক জমি জুড়ে ২০০ টি নাগমুড়ি কমলার গাছ রয়েছে লিটন শেখের। লিটন শেখ বলেন, নাগমুড়ি কমলা বারোমাসী ফল হওয়ায় সারা বছরই ফল পাওয়া যায়। এটি চাষে তেমন কোনো কীটনাশকের প্রয়োজন পড়ে না। শুধুমাত্র বছরে তিন থেকে পাঁচটি সেচ দিলেই যথেষ্ট। তাই এটি চাষ বেশ লাভজনক। লিটন এখন শুধু ফল বিক্রিই করে না বরং নাগমুড়ি চারা নতুন নতুন উদ্যোক্তাদের কাছে সরবরাহ করেন এবং যাবতীয় পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ফলে অনেকেই এই চাষের সাথে যুক্ত হয়েছে। নতুন উদ্যোক্তারা লিটন শেখকে দেখে নাগমুড়ি কমলা চাষে সম্ভাবনা দেখছে। যেহেতু মেহেরপুরের মাটি খুবই উর্বর তাই ব্যর্থ হওয়ার তেমন সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।